Cool Social Media Sharing Touch Me Widget by Beautiful Blogger Widgets

Friday, July 26, 2013

এক্সপির সিডি দিয়ে উইন্ডোজ এক্সপির এ্যাডমিনিষ্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড হ্যাক করুন

0 comments

1.       প্রথমে উইন্ডোজ এক্সপির সিডি কম্পিউটারে প্রবেশ করান।

2.       এবার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন ও সিডি থেকে বুট করান।

3.       এক্ষেত্রে বায়োস থেকে 1st Boot Device হিসেবে সিডি রম নির্বাচন করে নিন।

4.       বুট হওয়ার সময় যখন “Press any key to boot from CD” ম্যাসেজ আসবে, তথন কী-বোর্ড থেকে যে কোন কী চাপুন।

5.       তারপর কম্পিউটার সেটআপ ফাইলগুলো লোড করা শুরু করবে।

6.       এরপর যখন Welcome to Setup screen এ আসবেন, Enter কী চাপুন।

7.       এবার লাইসেন্স এগ্রিমেন্ট আসলে F8 কী প্রেস করুন।

8.       পরবর্তী স্ক্রীণে রিপেয়ার এ ক্লিক করতে R প্রেস করুন।

9.       তাহলে সিস্টেম আপনার হার্ডডিস্ক স্ক্যান করবে ও প্রয়োজনীয় ফাইল কপি করে রাখবে।

10.   ফাইল কপি শেষ হলে কম্পিউটার রিস্টার্ট নিয়ে আবার সেটআপ শুরু করবে।

11.   রিস্টার্ট এর পর “Press any key to boot from CD” ম্যাসেজ আসলে কো কী প্রেস করবেন না।

12.   সেটআপ নেয়ার এক পর্যায়ে যখন Installing Devices ইন্সটল হবে তখন SHIFT + F10 কী দ্বয় একসাথে চাপুন। Installing Devices এটি দেখবেন সেটআপ স্ক্রীণের নিচের বামদিকে।

13.   Installing Devices এই হল সিকিউরিটি সেটআপ অংশ। SHIFT + F10 চাপলে কমান্ড প্রোম্পট আসবে।

14.   এবার কমান্ড প্রোম্পট NUSRMGR.CPL লিখে এন্টার করুন।

15.   তাহলে আপনাকে ইউজার একাউন্টে নিয়ে যাবে।

16.   সেখান থেকে আপনি ইচ্ছা করলে পাসওয়ার্ড মুছে ফেলতে বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

17.   আপনি যদি নতুন পাসওয়ার্ড ছাড়াই প্রবেশ করতে চান তাহলে কমান্ড প্রোম্পটে লিখুন control userpasswords2 এবার এন্টার করুন।

18.   এবার কমান্ড প্রোম্পট বন্ধ করুন ও রিপেয়ার শেষ করে এগিয়ে যান।

19.   এক্ষেত্রে আপনার সিডি প্রোডাক্টট কী চাইলে দিতে হবে।

সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ….


ট্রাইল ভার্সন সফটওয়্যার কে চালান দিনের পর দিন

0 comments
আমরা যারা কম্পিউটার ব্যাবহার করি তারা বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের সফটওয়্যার ইনস্টল করে থাকি। এই সফটওয়্যার গুলোর অনেক গুলোই থাকে ট্রাইল ভার্সন যা একটা নিদৃষ্ট সময় পর আর কাজ করে না। অনেকেই দেখা যায় যে এই সমস্যা সমাধানের জন্য নিজের কম্পিউটারের তারিখ পরিবর্তন করে ঐ সফটটি চালায়। আবার নেট Browse এর সময় তারিখ ঠিক না থাকলে অনেক সমস্যা হয়। এই সমস্যা হতে মুক্তি পেতে ব্যবহার করতে পারেন runasdate নামের এই ছোট্ট Freeware. মাত্র ২১.১০ কেবি এই Freeware টি  ট্রাইল ভার্সন সফটওয়্যারের  date পাল্টিয়ে দিয়ে আবার চালাতে সক্ষম করে তোলে।


প্রথমে runasdate Freeware টি ডাউনলোড করে run করুন, এখন যে ট্রাইল ভার্সন সফটওয়্যারটির সময় পার হয়েছে তার .EXE ফাইল Browse করে দেখিয়ে দিন। তারপর সফটওয়্যারটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের কোন Date বসিয়ে দিন এবং Run বাটনে ক্লিক করুন। ( বি:দ্র: সফটওয়্যারটির ইনস্টলের আগের Date বসালে কাজ করবে না )

সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে।


Shift + Delete হওয়া ফাইলগুলোও ফেরত আনুন

0 comments
আজ আমি আপনাদের সাথে ফাইল রিকোভারী সফটওয়্যার এর কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করবো। বাজারে অনেক ধরনের ফাইল রিকোভারী সফটওয়্যার আছে, যার অধিকাংশই পেইড। ফ্রী ভার্সন নাই বললেই চলে, আর যেগুলো ফ্রী সেগুলোতে Paid version এর সুন্দর সুন্দর ফীচারগুলো পাওয়া যায় না।

আমরা প্রায়ই কারণে-অকারণে, বুঝে-না বুঝে আমাদের প্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করে থাকতে পারি, কিন্তু পরে যখন বুঝতে পারি যে, ফাইলটা অনেক দরকারি ছিল, তখন আর সেই ফাইলটা ফেরত পাওয়ার কোন পথ থাকেনা। এসব কারণেই প্রধানত আমরা ফাইল রিকভারী সফট গুলো ব্যবহার করতে পারি। সাধারণত ফাইল রিকভারী সফটওয়্যার দিয়ে অনেক আগের ডিলিট হওয়া ফাইলগুলোও ফেরত পাওয়া সম্ভব। তবে সাধারনত যে স্থান থেকে ফাইল ডিলিট করা হয়েছে, সেই স্থানে যদি পরবর্তীতে অন্য কোন ফাইল write করা হয়ে যায়, তাহলে সাধারণত সেসব ফাইল ফেরত পাওয়া সম্ভব হয় না। তাই সাধারণত কোন ফাইল ডিলিট করার পর যদি মনে হয় যে ফাইলটা দরকারি ছিল এবং ফেরত নিয়ে আসা দরকার, তাহলে ঐ স্থানে কোন প্রকার changes অর্থাৎ নতুন কোন ফাইল কাট, কপি, পেস্ট ইত্যাদি না করাই ভাল।

আবার এসব সফটওয়্যার দিয়ে আপনার ফাইলগুলো এমনভাবে ডিলিট করা সম্ভব যে পরবর্তীতে আর কেউ কখনো সেই ফাইল পুনরুদ্ধার করতে পারবে না। আসুন আমরা ফাইল রিকভারী সফটওয়্যার Recuva দিয়ে কিভাবে কাজ করতে হয় তা দেখে নিই, প্রথমেই  এখান থেকে সফটওয়্যারটি Download করে নিই। তারপর সফটটি ইনস্টল করুন। নিচের ছবিটি দেখুন এটা আমার পিসির একটি Image folder এর screenshot:


এখান থেকে আমি নিচের ছবিতে Cross দেয়া ছবি দুটি ডিলিট করে দিলাম


এবার আমরা Recuva Run করি নিচের মত Wizard আসবে, কারো Wizard ভাল না লাগলে এটা বন্ধ করে দিতে পারেন Do not show this wizard on startup – এর চেক বক্সে চেক করে। আমার মনে হয় নতুনদের জন্য Wizard খুব ভাল তাই আমি wizard দিয়েই সামনের দিকে যাব।




Next করুন নিচের ছবির মত অপশন আসবে। যেহেতু আমরা ছবি ডিলিট করেছি এবং ছবি ফিরিয়ে আনতে চাই Pictures এর রেডিও বাটনে ক্লিক করুন। এছাড়াও আপনারা Music, Video etc ক্যাটাগরী অনুযায়ী সার্চ করতে পারেন আর বুঝতে না পারলে Others Radio button টি active করতে পারেন।


তারপর ফাইলটা ডিলিট হওয়ার আগে কোথায় বা কোন ড্রাইভে ছিল তা বলে দিন এতে করে খুজতে কম সময় লাগবে আর মনে থাকলে I am not sure টি একটিভ করতে পারেন। এটা সিলেক্ট করলে রিকুভা হার্ডড্রাইভ এর সমস্ত স্থানে ফাইলটির খোজ করবে।


তারপরের উইন্ডোতে দেখেন Enable Deep Scan নামক একটি অপশন আছে , এটি Active না করাই ভাল কারণ এটা active করলে ফাইল সার্চ করতে অনেক সময় লাগবে। তবে Normal scan এ কোন ফাইল খুজে নাপেলে Deep Scan করতে পারেন।


Start এ ক্লিক করলে ডিলিট হওয়া ফাইল সার্চ করা শুরু করবে।

তারপর আপনাকে খুজে পাওয়া সমস্ত ফাইলের লিস্ট দেখাবে এবং যদি সম্ভব হয় Preview ও দেখাবে


তারপর উপরের ডান কোনা থেকে Switch to Advance Mode এ ক্লিক করুন তাহলে নিচের উইন্ডো এর মত আসবে।


এখানে দেখুন সমস্ত ডিলিট হওয়া ফাইলের লিস্ট দেখা যাচ্ছে। যেহেতু আমরা আমাদের হারিয়ে যাওয়া ফাইলের নাম জানি। তাই আমরা নিচের দিকে নেমে Hero Front.png ফাইলটা সিলেক্ট করবো এবং আরো নিচের দিকে নেমে Specialize-enduro-grip.png লেখা ফাইলটা সিলেক্ট করবো।



এবার নিচের ছবির দিকে একটু লক্ষ করুন এখানে আমি কিছু জায়গা লাল রঙ দিয়ে মার্ক করে রাখছি। এখানের টেক্সট এর দিকে লক্ষ করুন, Very Poor, Poor, Excellent, Unrecoverable লেখা আছে। এখানে দেখুন একমাত্র Excellent option ছাড়া বাকিগুলোতে ডিলিট হওয়া ফাইলের উপর অন্য ফাইল ওভাররাইট হয়ে গিয়েছে, তাই এই ফাইল গুলো এসব ফ্রী ভার্সন দিয়ে ফেরত আনা সম্ভব না। তবে Deep scan করলে হয়তো কোন কোন ফাইল আংশিক উদ্ধার হতেও পারে।



এবার ডান কোনার নিচে থেকে Recover option এ ক্লিক করুন। ফাইল গুলো রিকভার করে কোথাও সেভ করতে তা জিজ্ঞাসা করবে? এখানে সাধারনত সেভ করার সিস্টেম হল আপনার যদি C ড্রাইভের কোন ফাইল হারিয়ে যায় তাহলে তা Recover করার সময় অন্য ড্রাইভে সেভ করলে Recove হওয়ার Success Rate বেড়ে যায়।


এবার সবশেষে Ok করুন।



এভাবেই আপনারা রিকুভা ব্যবহার করে, ডিলিট হওয়া পুনরুদ্ধার করতে পারেন। ডিলিট হওয়া ফাইল ফেরত আনার আরো কয়েকটির সফটওয়্যারের নাম হল:

PC INSPECTOR:

উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:

  •  CF/SD/MMC/MS memory card এবং অন্যান্য ডাটা ক্যারিয়ার থেকে এটি ডাটা রিকোভার করতে পারে।
  • দুর্ঘটনাক্রমে যদি হার্ডডিস্কের কোন বুট সেক্টর অথবা FAT ডিলেট হয়ে যায় তাহলও এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই পার্টিশান খুজে বের করতে পারে।
  • এছাড়াও আরো অনেক ফিচার।

UNDELETE PLUS:

উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:

  • এটি শুধু NTFS এবং FAT32 ফাইল সিস্টেম সাপোর্ট করে।
  • এছাড়াও আরো অনেক ফিচার।

Pandora Recovery:

উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:

  • এটি যেকোন ধরনের আরকাইভ ফাইল, লুকায়িত ফাইল, ইনক্রিপ্ট করা ফাইল এবং কপ্রেস্ড ফাইল রিকোভার করতে পারে।
  • অল্টারনেটিভ ডাটা স্ট্রীম বা ADS ফাইল রিকোভার করতে পারে।
  • এ সফটওয়ারটি এর রিকোভারীর সফলতার পরিমান শো করে।
  • ‌এটি FAT16, FAT32, NTFS, NTFS5 এবং NTFS/EFS ইত্যাদি ফাইল সিস্টেম সাপোর্ট করে।
এটি Cnet থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।

ADRC Data Recovery Software Tools:

উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:

  • এটি যেকোন ধরনের হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, বেসিক বা ডাইনামিক ভলিউম, কম্প্রেস্ড বা ফ্রাগমেন্টেড ফাইল, কম্প্যাক্ট ফ্লাশ, স্মার্ট মিডিয়া, USB ড্রাইভ ইত্যাদি থেকে ডাটা রিকোভার করতে পারে।
  • এটি ফিজিক্যালি ড্যামেজ হওয়া ড্রাইভ থেকে ডাটা রিকভার করতে পারে।
  • ডিস্ক ক্লোন ব্যাকআপ করতে পারে।
  • ডিস্ক ইমেইজ ফাইল তৈরি করতে এবং এটি যেকোন ধরনের রিমোভেবল মিডিয়াতে লিখতে পারে।
  • এটি কোন ড্রাইভের বুট সেক্টর ইমপোর্ট এবং এক্সপোর্ট করেতে পারে।
  • NTFS এবং FAT ফাইল সিস্টেম সাপোর্ট করে।